মোঃআনজার শাহ
কুমিল্লার শিক্ষা অঙ্গনে আজ এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক যুক্ত হলো। ইবনে তাইমিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের সম্মানিত অধ্যক্ষ শফিকুল আলম হেলাল মালয়েশিয়ার একটি স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ২৭ নভেম্বর মালয়েশিয়া সময় দুপুর ২টায় ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়। এই অর্জনের মধ্য দিয়ে তিনি এখন থেকে অফিসিয়ালি তাঁর সকল নথিপত্রে ডক্টর পদবি ব্যবহার করতে পারবেন।
এখানে বিষয়টা শুধু একটি একাডেমিক অর্জন নয়, বরং বরুড়ার শিক্ষা ও সামাজিক পরিমণ্ডলে নৈতিক নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে হেলাল স্যারের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হলো। দীর্ঘদিন ধরে তিনি শিক্ষার মানোন্নয়ন, ছাত্রছাত্রীদের নৈতিক বিকাশ এবং প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় নিষ্ঠা, সততা ও পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়ে আসছেন। তাঁর স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি আর মানবিক প্রতিশ্রুতি স্থানীয় সমাজে বিশেষভাবে আলোচিত।
বরুড়ার অনেকেই মনে করেন, একজন সৎ, যোগ্য ও দায়িত্বশীল মানুষ যখন নেতৃত্বে থাকেন, তখন এলাকার উন্নতি স্বাভাবিকভাবেই সামনে এগোয়। সেই ধারাবাহিকতায় হেলাল স্যারের ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন স্থানীয় জনগণের মধ্যেও নতুন আশার সঞ্চার করেছে। তিনি নিজেও সবসময় বলে থাকেন, শিক্ষা ও মানবিকতার শক্তিতেই সমাজ বদলায়।
অন্যদিকে রাজনৈতিক অঙ্গনেও তাঁর উপস্থিতি নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে। কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনে তিনি জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী হয়ে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। শিক্ষা ক্ষেত্রের সফলতা, এলাকাব্যাপী গ্রহণযোগ্যতা এবং ব্যক্তিগত সততার কারণে তাঁর প্রার্থিতা নিয়ে ইতোমধ্যে অঞ্চলে বেশ আলোচনা চলছে। সাধারণ মানুষের একটি বড় অংশ বিশ্বাস করে, দীর্ঘদিন শিক্ষার মাঠে মানুষের কাছাকাছি থাকা একজন ব্যক্তিই জনতার সমস্যাগুলো বুঝে সমাধান দিতে পারবেন।
হেলাল স্যারের ডক্টরেট অর্জন শুধু তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং বরুড়ার মানুষের জন্যও এক ধরনের সম্মান। স্থানীয়রা আশা করছেন, একজন জ্ঞানী, নম্র এবং দায়িত্বশীল মানুষের নেতৃত্বে বরুড়া আরও উন্নত, শিক্ষিত ও আদর্শিক সমাজের পথে এগিয়ে যাবে।
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাঁর এই অর্জনকে কল্যাণের পথে ব্যবহার করার তৌফিক দিন—এমনটাই দোয়া করছেন এলাকার সর্বস্তরের মানুষ।