, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬, ২৬ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় বাস্তুহারা দলের উদ্যোগে দোয়া ও মাহফিল অনুষ্ঠিত হিজলায় মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মোনাজাত  মেহেন্দিগঞ্জে খালেদা জিয়ার শোক সভায় রাজিব আহসান নিজে কাঁদলেন এবং সবাইকে কাঁদালেন পুরান ঢাকায় শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরন করেছে ইউরো ফেমাস ক্লাব আনন্দঘন পিকনিকে মুখর বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুরা আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার নির্বাচন: নিপুন রায় চৌধুরী গ্যাসের দামে কারসাজি সংবাদ প্রকাশের পর কেরানীগঞ্জে মোবাইল কোর্ট, জরিমানা ৩২ হাজার বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে কেন্দ্রীয় যুবদল সভাপতি ও সিনিয়র সহ-সভাপতির সৌজন্য সাক্ষাৎ চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যু তারেক রহমানের আবেগঘন ঘোষণা: ‘আমার মা, গণতন্ত্রের মা আর নেই’

তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ

  • প্রকাশের সময় : ০২:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১০৩ পড়া হয়েছে

Oplus_131072

 

 

ডেক্স রিপোর্ট

তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা আইন সহায়তা কেন্দ্র আসক ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান মোঃশামছুল আলম ও নির্বাহী পরিচালক খন্দকার সাইফুল ইসলাম সজল সহ সংস্থার কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ

 

শামছুল আলম বলেন বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে জাতি তার এক মহান অভিভাবককে হারাল। তার মৃত্যুতে আমি এবং আমার সংস্থার নির্বাহী পরিষদের পক্ষ হতে গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত।

শামছুল আলম বলেন বেগম খালেদা জিয়া শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক দলের নেত্রীই ছিলেন না,তিনি ছিলেন বাংলাদেশের একমাত্র

আপসহীন নেত্রী তিনি ছিলেন বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তার অবদান, তার দীর্ঘ সংগ্রাম এবং তার প্রতি জনগণের আবেগ বিবেচনায় নিয়ে সরকার চলতি মাসে তাকে রাষ্ট্রের অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করে।

 

বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশে গণতন্ত্র, বহুদলীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তার ভূমিকা আমাদের মাঝে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তার আপোষহীন নেতৃত্বের ফলে গণতন্ত্রহীন অবস্থা থেকে জাতি বারবার মুক্ত হয়েছে, মুক্তির অনুপ্রেরণা পেয়েছে। দেশ ও জাতির প্রতি তার অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

 

রাজনৈতিক মতপার্থক্য সত্ত্বেও জাতির কল্যাণে তার দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা, গণমুখী নেতৃত্ব এবং দৃঢ় মনোবল সব সময় পথ দেখিয়েছে। তার মৃত্যুতে দেশ ও দেশের জনগণ একজন অভিজ্ঞ ও পরীক্ষিত আপোষহীন রাজনৈতিক বিদকে হারাল।

সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপির চেয়ারপারসন, যিনি স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রে ফিরে পাওয়ার লড়াইয়ে নেতৃত্ব দেন। তিনি ১৯৮৬ সালে স্বৈরাচারী নির্বাচনে আপোষহীন ভূমিকা রাখেন , তার স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর ১৯৮২ সালে গৃহবধূ থেকে রাজনীতির মাঠে আসা বেগম খালেদা জিয়ার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব স্বৈরশাসক এরশাদের দীর্ঘ ৯ বছরের দুঃশাসনের পতন ঘটাতে প্রধান ভূমিকা রাখে। বেগম খালেদা জিয়ার বহু কর্ম ও সিদ্ধান্ত দেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছে। তিনি বাংলাদেশের নারী শিক্ষার অগ্রগতির ক্ষেত্রেতিনি মেয়েদের জন্য অবৈতনিক শিক্ষা ও উপবৃত্তি চালু করেন, যা একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত।

 

বেগম খালেদা জিয়া একজন রাজনৈতিক সফল এবং আপোষহীন নেত্রী ছিলেন। তিনি কখনো কোনো নির্বাচনে পরাজিত হয়নি। ১৯৯১ থেকে ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনগুলোতে তিনি পাঁচটি পৃথক সংসদীয় আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০০৮ সালে তিনি যে তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, সেখানেই তিনি জয়লাভ করেছিলেন।

 

বেগম খালেদা জিয়া

১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর অর্থনৈতিক মাধ্যমে তিনি দেশের অর্থনীতির একটি মজবুত ভিত্তি স্থাপন করেন। শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসনামলে বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন সংগ্রামী আপোষহীন ও প্রতিরোধের এক অনন্য প্রতীক।

 

বেগম খালেদা জিয়া রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় তাকে দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ও দীর্ঘ ১৭ বছর লন্ডনের জীবন যাপন করতে হয়।

বেগম খালেদা জিয়া তার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোক কে হারাতে হয়।

 

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা আইন সহায়তা কেন্দ্র আসক ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশন এর পক্ষ হইতে তার শোকসন্তপ্ত পরিবার ও দলের নেতাকর্মীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। জাতির এই অপূরণীয় ক্ষতির দিনে তিনি দেশের জনগণকে শান্ত থাকার ও ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানান এবং যার যার অবস্থান থেকে বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া ও প্রার্থনা করার অনুরোধ করেছেন।

বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় বাস্তুহারা দলের উদ্যোগে দোয়া ও মাহফিল অনুষ্ঠিত

তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ

প্রকাশের সময় : ০২:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

 

 

ডেক্স রিপোর্ট

তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা আইন সহায়তা কেন্দ্র আসক ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান মোঃশামছুল আলম ও নির্বাহী পরিচালক খন্দকার সাইফুল ইসলাম সজল সহ সংস্থার কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ

 

শামছুল আলম বলেন বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে জাতি তার এক মহান অভিভাবককে হারাল। তার মৃত্যুতে আমি এবং আমার সংস্থার নির্বাহী পরিষদের পক্ষ হতে গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত।

শামছুল আলম বলেন বেগম খালেদা জিয়া শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক দলের নেত্রীই ছিলেন না,তিনি ছিলেন বাংলাদেশের একমাত্র

আপসহীন নেত্রী তিনি ছিলেন বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তার অবদান, তার দীর্ঘ সংগ্রাম এবং তার প্রতি জনগণের আবেগ বিবেচনায় নিয়ে সরকার চলতি মাসে তাকে রাষ্ট্রের অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করে।

 

বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশে গণতন্ত্র, বহুদলীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তার ভূমিকা আমাদের মাঝে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তার আপোষহীন নেতৃত্বের ফলে গণতন্ত্রহীন অবস্থা থেকে জাতি বারবার মুক্ত হয়েছে, মুক্তির অনুপ্রেরণা পেয়েছে। দেশ ও জাতির প্রতি তার অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

 

রাজনৈতিক মতপার্থক্য সত্ত্বেও জাতির কল্যাণে তার দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা, গণমুখী নেতৃত্ব এবং দৃঢ় মনোবল সব সময় পথ দেখিয়েছে। তার মৃত্যুতে দেশ ও দেশের জনগণ একজন অভিজ্ঞ ও পরীক্ষিত আপোষহীন রাজনৈতিক বিদকে হারাল।

সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপির চেয়ারপারসন, যিনি স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রে ফিরে পাওয়ার লড়াইয়ে নেতৃত্ব দেন। তিনি ১৯৮৬ সালে স্বৈরাচারী নির্বাচনে আপোষহীন ভূমিকা রাখেন , তার স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর ১৯৮২ সালে গৃহবধূ থেকে রাজনীতির মাঠে আসা বেগম খালেদা জিয়ার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব স্বৈরশাসক এরশাদের দীর্ঘ ৯ বছরের দুঃশাসনের পতন ঘটাতে প্রধান ভূমিকা রাখে। বেগম খালেদা জিয়ার বহু কর্ম ও সিদ্ধান্ত দেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছে। তিনি বাংলাদেশের নারী শিক্ষার অগ্রগতির ক্ষেত্রেতিনি মেয়েদের জন্য অবৈতনিক শিক্ষা ও উপবৃত্তি চালু করেন, যা একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত।

 

বেগম খালেদা জিয়া একজন রাজনৈতিক সফল এবং আপোষহীন নেত্রী ছিলেন। তিনি কখনো কোনো নির্বাচনে পরাজিত হয়নি। ১৯৯১ থেকে ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনগুলোতে তিনি পাঁচটি পৃথক সংসদীয় আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০০৮ সালে তিনি যে তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, সেখানেই তিনি জয়লাভ করেছিলেন।

 

বেগম খালেদা জিয়া

১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর অর্থনৈতিক মাধ্যমে তিনি দেশের অর্থনীতির একটি মজবুত ভিত্তি স্থাপন করেন। শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসনামলে বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন সংগ্রামী আপোষহীন ও প্রতিরোধের এক অনন্য প্রতীক।

 

বেগম খালেদা জিয়া রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় তাকে দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ও দীর্ঘ ১৭ বছর লন্ডনের জীবন যাপন করতে হয়।

বেগম খালেদা জিয়া তার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোক কে হারাতে হয়।

 

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা আইন সহায়তা কেন্দ্র আসক ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশন এর পক্ষ হইতে তার শোকসন্তপ্ত পরিবার ও দলের নেতাকর্মীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। জাতির এই অপূরণীয় ক্ষতির দিনে তিনি দেশের জনগণকে শান্ত থাকার ও ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানান এবং যার যার অবস্থান থেকে বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া ও প্রার্থনা করার অনুরোধ করেছেন।