, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় বাস্তুহারা দলের উদ্যোগে দোয়া ও মাহফিল অনুষ্ঠিত হিজলায় মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মোনাজাত  মেহেন্দিগঞ্জে খালেদা জিয়ার শোক সভায় রাজিব আহসান নিজে কাঁদলেন এবং সবাইকে কাঁদালেন পুরান ঢাকায় শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরন করেছে ইউরো ফেমাস ক্লাব আনন্দঘন পিকনিকে মুখর বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুরা আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার নির্বাচন: নিপুন রায় চৌধুরী গ্যাসের দামে কারসাজি সংবাদ প্রকাশের পর কেরানীগঞ্জে মোবাইল কোর্ট, জরিমানা ৩২ হাজার বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে কেন্দ্রীয় যুবদল সভাপতি ও সিনিয়র সহ-সভাপতির সৌজন্য সাক্ষাৎ চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যু তারেক রহমানের আবেগঘন ঘোষণা: ‘আমার মা, গণতন্ত্রের মা আর নেই’

ভেজাল শিশুখাদ্যের কারখানায় সয়লাব কেরানীগঞ্জ

  • প্রকাশের সময় : ০৬:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫
  • ১২৯ পড়া হয়েছে

 

 

আসিফ চৌধুরী, বিশেষ সংবাদদাতা ঢাকা :

 

ঢাকার কেরানীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে ভেজাল ও অস্বাস্থ্যকর শিশুখাদ্য তৈরির কারখানা। কাপড়ের রং, হাইড্রোজসহ নানা ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার করে নামে-বেনামে এসব কারখানায় তৈরি হচ্ছে লজেন্স, ললিপপ, চুইংগাম, চিপসসহ শিশুদের প্রিয় নানা খাদ্যপণ্য।

 

আজ (০৭অক্টোবর) মঙ্গলবার সরেজমিনে জিনজিরা এলাকায় দেখা যায়—ভাড়া নেয়া ফ্ল্যাট ও আবাসিক ঘরে চলছে এসব শিশুখাদ্য উৎপাদন। অত্যন্ত নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে হাত-পা এক করে কাজ করছেন শ্রমিকরা। তাদের মধ্যে অনেকেই শিশু শ্রমিক।

 

কারখানার কয়েকজন শ্রমিক জানান, প্রশাসনের কিছু অসাধু কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করেই এসব কারখানার কার্যক্রম চলছে।

 

‘আখি ফুড প্রোডাক্টস’ নামের এক কারখানার ম্যানেজার বলেন,“এখানে তৈরি পণ্য প্যাকেটজাত করে ঢাকার চকবাজার ও নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের পাইকারি দোকানে সরবরাহ করা হয়। সেখান থেকে তা সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে।”

 

তিনি আরো বলেন,“আমাদের পণ্যে কোনো ভেজাল নেই। আমরা কারখানা বন্ধ করব না—যা করার করেন।”

 

অনুসন্ধানে জানা যায়, পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিএসটিআই-এর কোনো অনুমোদন ছাড়াই এসব কারখানা দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত হচ্ছে।

 

কেরানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. শাহিনুর ইসলাম বলেন,“ভেজাল উপকরণে তৈরি এসব খাদ্য শিশুদের ক্যান্সার, কিডনি বিকলসহ মারাত্মক জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।”

 

এ বিষয়ে কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিনাত ফৌজিয়া প্রথমে মন্তব্য করতে অনিচ্ছা প্রকাশ করে বলেন,“এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকের অনুমতি ছাড়া আমি কিছু বলতে পারব না।” তবে পরে তিনি জানান,“খুব শিগগিরই এসব ভেজাল শিশুখাদ্য কারখানার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় বাস্তুহারা দলের উদ্যোগে দোয়া ও মাহফিল অনুষ্ঠিত

ভেজাল শিশুখাদ্যের কারখানায় সয়লাব কেরানীগঞ্জ

প্রকাশের সময় : ০৬:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫

 

 

আসিফ চৌধুরী, বিশেষ সংবাদদাতা ঢাকা :

 

ঢাকার কেরানীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে ভেজাল ও অস্বাস্থ্যকর শিশুখাদ্য তৈরির কারখানা। কাপড়ের রং, হাইড্রোজসহ নানা ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার করে নামে-বেনামে এসব কারখানায় তৈরি হচ্ছে লজেন্স, ললিপপ, চুইংগাম, চিপসসহ শিশুদের প্রিয় নানা খাদ্যপণ্য।

 

আজ (০৭অক্টোবর) মঙ্গলবার সরেজমিনে জিনজিরা এলাকায় দেখা যায়—ভাড়া নেয়া ফ্ল্যাট ও আবাসিক ঘরে চলছে এসব শিশুখাদ্য উৎপাদন। অত্যন্ত নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে হাত-পা এক করে কাজ করছেন শ্রমিকরা। তাদের মধ্যে অনেকেই শিশু শ্রমিক।

 

কারখানার কয়েকজন শ্রমিক জানান, প্রশাসনের কিছু অসাধু কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করেই এসব কারখানার কার্যক্রম চলছে।

 

‘আখি ফুড প্রোডাক্টস’ নামের এক কারখানার ম্যানেজার বলেন,“এখানে তৈরি পণ্য প্যাকেটজাত করে ঢাকার চকবাজার ও নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের পাইকারি দোকানে সরবরাহ করা হয়। সেখান থেকে তা সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে।”

 

তিনি আরো বলেন,“আমাদের পণ্যে কোনো ভেজাল নেই। আমরা কারখানা বন্ধ করব না—যা করার করেন।”

 

অনুসন্ধানে জানা যায়, পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিএসটিআই-এর কোনো অনুমোদন ছাড়াই এসব কারখানা দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত হচ্ছে।

 

কেরানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. শাহিনুর ইসলাম বলেন,“ভেজাল উপকরণে তৈরি এসব খাদ্য শিশুদের ক্যান্সার, কিডনি বিকলসহ মারাত্মক জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।”

 

এ বিষয়ে কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিনাত ফৌজিয়া প্রথমে মন্তব্য করতে অনিচ্ছা প্রকাশ করে বলেন,“এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকের অনুমতি ছাড়া আমি কিছু বলতে পারব না।” তবে পরে তিনি জানান,“খুব শিগগিরই এসব ভেজাল শিশুখাদ্য কারখানার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।