
মেহেন্দিগঞ্জ প্রতিনিধি :
যারা জনপ্রতিনিধি নন, তবুও এলাকার প্রধান সমস্যা সমাধানে নিরলসভাবে কাজ করে যান—তাঁরাই প্রকৃত অর্থে জনগণের প্রকৃত অভিভাবক। এমনই একজন নিভৃতচারী সংগ্রামী মানুষ এডভোকেট এম. হেলাল উদ্দিন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যখন অনেকেই এলাকায় ছিলেন না, সাধারণ মানুষের দুঃখ-দুর্দশা নিয়ে মাথা ঘামাননি, ঠিক সেই সময়ে তিনি একজন সচেতন নাগরিক ও সাংবাদিকের দায়িত্ববোধ নিয়ে দপ্তর থেকে দপ্তরে ছুটে বেড়িয়েছেন জনগণের মৌলিক অধিকার ও নিরাপত্তার জন্য।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্টিমারঘাট, সাদেকপুর, চানপুর ইউনিয়ন হয়ে উলানিয়া দক্ষিণ ইউনিয়নের সুলতানি নদীর পাড়ের ৯ কিলোমিটার অংশ এবং শ্রীপুর ইউনিয়নের আড়াই কিলোমিটার নদী রক্ষা বাধ—মোট ১১.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ স্থায়ী নদী তীর রক্ষা প্রকল্পটি এখন একনেক-এর অনুমোদনের অপেক্ষায়।
এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পটি এপর্যন্ত আনতে তাকে পড়তে হয়েছে নানাবিধ বাধা–বিপত্তির মুখে। মন্ত্রণালয়ের দরজা থেকে একনেক পর্যন্ত—অগণিত অনুনয়, যুক্তি, নথিপত্র উপস্থাপন, আবার ফেরত পাঠানো… দীর্ঘ এই পথে তিনি কখনও হাল ছাড়েননি।
অবশেষে আল্লাহর অশেষ রহমতে প্রকল্পটি একনেক সভায় উপস্থাপনের পর্যায়ে পৌঁছেছে।
এডভোকেট এম. হেলাল উদ্দিন বলেন—
এটি শুধু একটি উন্নয়ন প্রকল্প নয়, মেহেন্দিগঞ্জবাসীর নিরাপত্তা, ঘরবাড়ি, কৃষিজমি ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের টিকে থাকার লড়াই। এই ফাইলটি এখানে আনতে অনেক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে। আল্লাহর রহমতে আমরা সফল হয়েছি। এখন সকলের কাছে দোয়া চাই যেন একনেকে দ্রুত অনুমোদন হয়।
এদিকে এলাকাবাসী জানান, নির্বাচনের সময়ে প্রতিশ্রুতির বন্যা বয়ে গেলেও বিগত ৩–৪ বছরে অনেক তথাকথিত জনপ্রতিনিধিকে এলাকায় দেখা যায়নি। কিন্তু এডভোকেট এম. হেলাল উদ্দিন কোনো পদ-পদবী ছাড়াই মাঠে থেকে কাজ করেছেন বাস্তব সমস্যার সমাধানে।
স্থানীয়রা মনে করেন—এমন মানুষের হাতেই এলাকার প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব। প্রকল্পটি অনুমোদিত হলে দীর্ঘদিন ধরে ভাঙন আতঙ্কে থাকা হাজারো মানুষ স্বস্তি পাবে এবং মেহেন্দিগঞ্জের নদী–তীর রক্ষা নতুন দিগন্তে পৌঁছাবে।
সবশেষে তিনি সকলের দোয়া ও সমর্থন কামনা করেছেন।














