, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় বাস্তুহারা দলের উদ্যোগে দোয়া ও মাহফিল অনুষ্ঠিত হিজলায় মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মোনাজাত  মেহেন্দিগঞ্জে খালেদা জিয়ার শোক সভায় রাজিব আহসান নিজে কাঁদলেন এবং সবাইকে কাঁদালেন পুরান ঢাকায় শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরন করেছে ইউরো ফেমাস ক্লাব আনন্দঘন পিকনিকে মুখর বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুরা আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার নির্বাচন: নিপুন রায় চৌধুরী গ্যাসের দামে কারসাজি সংবাদ প্রকাশের পর কেরানীগঞ্জে মোবাইল কোর্ট, জরিমানা ৩২ হাজার বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে কেন্দ্রীয় যুবদল সভাপতি ও সিনিয়র সহ-সভাপতির সৌজন্য সাক্ষাৎ চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যু তারেক রহমানের আবেগঘন ঘোষণা: ‘আমার মা, গণতন্ত্রের মা আর নেই’

১৭ বছর পর দেশে ফিরলেন তারেক রহমান বিমানবন্দরে জনসমাগম, ছিল কঠোর নিরাপত্তা

  • প্রকাশের সময় : ০৬:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৩৮ পড়া হয়েছে

 

 

আসিফ চৌধুরী, বিশেষ সংবাদদাতা ঢাকা :

 

দীর্ঘ ১৭ বছর ৩ মাস ১৪ দিন পর দেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ১১টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন তিনি। বিমান থেকে নেমে জুতা খুলে খালি পায়ে দেশের মাটিতে পা রাখেন তারেক রহমান।

তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই বিমানবন্দর ও এর আশপাশের এলাকায় বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ভিড় বাড়তে থাকে। যান চলাচলে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করায় অল্প সময়ের মধ্যেই বিমানবন্দর মহাসড়কে জনসমাগম দেখা যায়। এ সময় নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

বিমানবন্দরে নামার পর বুলেটপ্রুফ গাড়িতে করে তিনি ৮ নম্বর গেট দিয়ে বের হন। পথে পথে দাঁড়িয়ে থাকা নেতাকর্মীদের উদ্দেশে হাত নেড়ে অভিবাদনের জবাব দেন তিনি।

তারেক রহমানের চলাচলকে ঘিরে নেয়া হয় নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ডিএমপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কয়েক হাজার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, র‍্যাব, পুলিশ, বিজিবি ও সাদা পোশাকের গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা নিরাপত্তা বলয়ে থেকে বহরটি পাহারা দেন।

প্রত্যাবর্তনের খবরে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়। দলের নেতারা মনে করছেন, তারেক রহমানের দেশে ফেরা জাতীয় রাজনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার করবে।

উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের ১১ মার্চ সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় গ্রেপ্তার হন তারেক রহমান। পরে তিনি মুক্তি পেলেও রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে পরিবারের সঙ্গে দেশের বাইরে চলে যান। এরপর দীর্ঘ সময় তিনি যুক্তরাজ্যে অবস্থান করেন।

 

১৭ বছর পর বিএনপির এই শীর্ষ নেতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় বাস্তুহারা দলের উদ্যোগে দোয়া ও মাহফিল অনুষ্ঠিত

১৭ বছর পর দেশে ফিরলেন তারেক রহমান বিমানবন্দরে জনসমাগম, ছিল কঠোর নিরাপত্তা

প্রকাশের সময় : ০৬:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫

 

 

আসিফ চৌধুরী, বিশেষ সংবাদদাতা ঢাকা :

 

দীর্ঘ ১৭ বছর ৩ মাস ১৪ দিন পর দেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ১১টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন তিনি। বিমান থেকে নেমে জুতা খুলে খালি পায়ে দেশের মাটিতে পা রাখেন তারেক রহমান।

তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই বিমানবন্দর ও এর আশপাশের এলাকায় বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ভিড় বাড়তে থাকে। যান চলাচলে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করায় অল্প সময়ের মধ্যেই বিমানবন্দর মহাসড়কে জনসমাগম দেখা যায়। এ সময় নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

বিমানবন্দরে নামার পর বুলেটপ্রুফ গাড়িতে করে তিনি ৮ নম্বর গেট দিয়ে বের হন। পথে পথে দাঁড়িয়ে থাকা নেতাকর্মীদের উদ্দেশে হাত নেড়ে অভিবাদনের জবাব দেন তিনি।

তারেক রহমানের চলাচলকে ঘিরে নেয়া হয় নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ডিএমপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কয়েক হাজার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, র‍্যাব, পুলিশ, বিজিবি ও সাদা পোশাকের গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা নিরাপত্তা বলয়ে থেকে বহরটি পাহারা দেন।

প্রত্যাবর্তনের খবরে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়। দলের নেতারা মনে করছেন, তারেক রহমানের দেশে ফেরা জাতীয় রাজনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার করবে।

উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের ১১ মার্চ সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় গ্রেপ্তার হন তারেক রহমান। পরে তিনি মুক্তি পেলেও রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে পরিবারের সঙ্গে দেশের বাইরে চলে যান। এরপর দীর্ঘ সময় তিনি যুক্তরাজ্যে অবস্থান করেন।

 

১৭ বছর পর বিএনপির এই শীর্ষ নেতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।